
সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে আবারও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাসীরা মোঃ আলাউদ্দিন (পেলিশ্যার বাজারের টেইলার্স ফয়সালের ভাই)কে নিজ ঘর থেকে জোরপূর্বক বের করে মুখ ও চোখ বেঁধে হাত-পা বেঁধে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
মুহাম্মদ আলা উদ্দীন জামায়াত কর্মীেও নির্বাচনে দাঁড় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করায় তারা বিভিন্নভাবে হুমকি দামকি দিয়ে আসছে।
হামলাকারীরা নির্মমভাবে মারধর করে তার হাত ও পায়ের আঙুল ভেঙে দেয় এবং কোমর ও মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় জনগণ তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাদেরও ধাওয়া দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রতিবাদের মুখে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে আহত ব্যক্তিকে প্রথমে সন্দ্বীপ ফাউন্ডেশন মেডিক্যালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ভর্তি না নিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। পরে গাছুয়া মেডিক্যালেও নেওয়া হলেও সেখান থেকেও চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে আহত ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম নেয়া হয়েছে৷
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন—মোঃ কায়ইয়ুম (পিতা: আবুবকর সিদ্দিক), আলবী (পিতা: নোমান), মনজুর আলম (পিতা: মুরকা বেরী), মোকারম (পিতা: জনু), প্রকাশ লিটন ও মাকসুদ (ইউসুফের ভাই)।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত।
এলাকাবাসী দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এবং আহত ব্যক্তির উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে, গতকাল রাতে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত মগধরা ৫ নং ওয়ার্ডের মুহাম্মদ আলা উদ্দীন-কে দেখতে চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর মুহাম্মদ আলা উদ্দীন সিকদার। এ সময় তিনি আহত নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পাশাপাশি হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।